প্রতিপক্ষের অর্ধ থেকে দৌড় দিলেন কিলিয়ান এমবাপে। তারপর দুই ডিফেন্ডারকে কাটালেন। সামনে শুধু গোলকিপার। একটু বামে গিয়ে লক্ষ্যে শট নিতে চাইলেন। কিন্তু গোলবারের ওপর দিয়ে মাঠের বাইরে গেল বল। হ্যাটট্রিক হলো না।
ইরাক গোলকিপার বাসিলের এক মারাত্মক ভুলে এমবাপে বিশ্বকাপে তার ১৬তম গোল করেন। ৫৪ মিনিটে গোল কিকের বাঁশি বাজার পর তাহসিন তার বাম পাশে থাকা ইরাকি গোলকিপারকে পাস দেন। তিনি বলটি মাঠের ওপর দিয়ে দূরে পাঠাতে চাইলেও শটটি ঠিকমতো নিতে পারেননি। পা ফসকে বল সরাসরি কাছেই থাকা দেম্বেলের কাছে চলে যায়। পিএসজি ফরোয়ার্ড মাঝমাঠের দিকে এমবাপেকে ফাঁকায় দেখে চমৎকারভাবে বলটি তার দিকে বাড়িয়ে দেন। গোললাইন আগলে একজন ডিফেন্ডার দাঁড়িয়ে থাকলেও তিনি অত্যন্ত নিখুঁতভাবে বল জালে জড়ান। চলতি টুর্নামেন্টে এটি ছিল তার চতুর্থ গোল এবং ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ফ্রান্স।
এই গোলে এমবাপে ছোঁন বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা মিরোস্লাভ ক্লোসাকে। নরওয়ের বিপক্ষেই শেষ গ্রুপ ম্যাচে জার্মান গ্রেটকে ছাড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ। মেসি ১৮ গোল করে সবার উপরে।
৬৬ মিনিটে দেম্বেলের তৃতীয় গোলে ভর করে ফ্রান্স সহজ জয় নিশ্চিত করে। গোলটির সূত্রপাত করেন ওলিসে। পিএসজি ফরোয়ার্ডকে চমৎকারভাবে একটি পাস বাড়িয়ে দেন তিনি। বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে দেম্বেলে ডি-বক্সের ডান দিকে এগিয়ে যান এবং এরপর একটি জোরালো শটে বল পোস্টের বাম দিক দিয়ে জালে জড়িয়ে দেন।
এর আগে প্রথমার্ধে ফ্রান্স লিড নেয় এমবাপের গোলে। শততম ম্যাচে ১৪ মিনিটে জাল কাঁপান তিনি। তার একটি শট ক্লিয়ার করতে পারেননি ইরাকের ডিফেন্ডার। বল পান অলিসে। তার ব্যাকপাস থেকে জাল কাঁপান এমবাপে। তাতে বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় রোনালদোকে ছোঁন তিনি।
এর আগে সেনেগালের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন এমবাপে। আজও করলেন জোড়া গোল। চার গোল করে গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে লিওনেল মেসির ঘাড়ে নিশ্বাস ফেলছেন তিনি। তার ওই এক গোলেই ইরাকের বিপক্ষে ১-০ গোলের লিড নিয়ে হাফটাইমে যায় ফ্রান্স। বজ্রপাতের ঝুঁকির কারণে সোয়া দুই ঘণ্টা পর ম্যাচ শুরু হলে বড় জয় নিশ্চিত করে ফরাসিরা।