বরিশাল

ভোলায় তোফায়েল আহমেদের দ্বিতীয় জানাজা সম্পন্ন

বর্ষীয়ান রাজনীতিক তোফায়েল আহমেদের দ্বিতীয় জানাজা ভোলায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুর আড়াইটার দিকে ভোলা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠের জানাজায় হাজারো মানুষের ঢল নামে।

এর আগে রাষ্ট্রীয় গার্ড অব অনারের মাধ্যমে শ্রদ্ধা জানানো হয় মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম এই সংগঠককে।

মঙ্গলবার দুপুর দেড়টার দিকে ঢাকা থেকে হেলিকপ্টারে মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় ভোলার বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন হেলিপ্যাডে। সেখান থেকে ফ্রিজিং ভ্যানে মরদেহটি নেওয়া হয় ভোলা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে।

পরিবারের সদস্যরা জানান, আজ বিকেলে তোফায়েল আহমেদের জন্মস্থান সদর উপজেলার কোড়ালিয়া গ্রামের বাড়িতে তৃতীয় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে মায়ের পাশে দাফন করা হবে।

সোমবার দুপুর সাড়ে ৩টার দিকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তোফায়েল আহমেদ। পরে বাদ মাগরিব ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদে তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, সাবেক মন্ত্রী, বিশিষ্টজন এবং সর্বস্তরের মানুষ অংশ নেন।

দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন তোফায়েল আহমেদ। গত বছরের ২৪ সেপ্টেম্বর নিউমোনিয়াজনিত শ্বাসকষ্ট, হৃদরোগ ও শারীরিক দুর্বলতা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর থেকে তিনি চিকিৎসাধীন ছিলেন। জীবনের শেষ আট মাসেরও বেশি সময় রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) কাটান এই বর্ষীয়ান রাজনীতিক।

তোফায়েল আহমেদ ১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৬৭ থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি ছিলেন। ৬৯-এর গণ-অভ্যুত্থানে নেতৃত্বস্থানীয় ভূমিকা রাখেন তিনি।

১৯৭০ সালের নির্বাচনে ২৭ বছর বয়সে তোফায়েল আহমেদ পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি ৯ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। একাধিকবার মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ছিলেন

সাম্প্রতিক সংবাদ

ভোলায় চিরনিদ্রায় শায়িত তোফায়েল আহমেদ

Newsdesk

পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে ৭৫ ব্যারেল বিটুমিন উদ্ধার

Newsdesk

১৭ বিয়ে করা সেই বন কর্মকর্তা বরখাস্ত

Newsdesk