লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) প্রেসিডেন্ট ড. কর্নেল অলি আহমদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত ড. জালিল রাহিমি জাহানাবাদি।
সাক্ষাৎকালে উভয় পক্ষ বাংলাদেশ-ইরান সম্পর্ক, আঞ্চলিক পরিস্থিতি এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতবিনিময় করেন। তারা আশা প্রকাশ করেন যে, দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও গভীর ও সুদৃঢ় হবে।
আলোচনায় ড. জালিল রাহিমি জাহানাবাদি বলেন, বাংলাদেশ ও ইরানের মধ্যকার সম্পর্ককে ইরান অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে এবং সংলাপ, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহযোগিতার মাধ্যমে এ সম্পর্ক আরও সম্প্রসারিত হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
ইরানের রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানিয়ে ড. কর্নেল অলি আহমদ বলেন, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও অভিন্ন স্বার্থের ভিত্তিতে বাংলাদেশ ও ইরানের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে এলডিপি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখে।
এলডিপির পক্ষ থেকে তিনি ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল সংশ্লিষ্ট সাম্প্রতিক সংঘাতের শান্তিপূর্ণ ও মর্যাদাপূর্ণ সমাধানের লক্ষ্যে গৃহীত উদ্যোগের ভূয়ষী প্রশংসা করেন এবং এ ক্ষেত্রে ইরানের সরকার ও জনগণের ভূমিকার প্রতি সাধুবাদ জানান। তিনি সংঘাতের ফলে প্রাণহানি ও সম্পদের ক্ষয়ক্ষতিতে গভীর শোক প্রকাশ করেন।
ড. অলি আহমদ সংলাপ, পারস্পরিক সম্মান ও কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার আশা ব্যক্ত করেন। তিনি মুসলিম বিশ্বের ভ্রাতৃত্ববোধের কথা উল্লেখ করে জ্বালানি সহযোগিতা, হরমুজ প্রণালী দিয়ে আন্তর্জাতিক নৌ-চলাচল ও বাণিজ্যের অবাধ প্রবাহ এবং আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার গুরুত্বের ওপর জোর দেন।
বৈঠক শেষে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে নৈশভোজ অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় ইরানের প্রতিনিধি দলে উপস্থিত ছিলেন ফার্স্ট কাউন্সিলর ইস্রাফিল আমিরি গোরজাদ্দিনি, কনস্যুলার ও অর্থনৈতিক বিষয়ক প্রধান মাহমুদ খোসরাভি এবং জনসংযোগ কর্মকর্তা মাহফুজুল হক, এলডিপির প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. নেয়ামুল বাসির প্রমুখ।