আন্তর্জাতিক

এক বৈঠক, দুই গল্প: ট্রাম্প ও শির আলোচনার আসল সত্য কোনটা?

চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সাথে দুই দিনের শীর্ষ সম্মেলন শেষে শুক্রবার চীন ত্যাগ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ওয়াশিংটন এই সফর থেকে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তির ক্ষেত্রে বড়সড় জয়ের দাবি করলেও, বেইজিং স্পষ্ট ভাষায় আমেরিকাকে সতর্ক করে দিয়ে বলেছে যেন তারা তাইওয়ান ইস্যুতে নিজেদের সীমানা লঙ্ঘন না করে। একই সাথে চীন উল্লেখ করেছে, ইরান ও আমেরিকার মধ্যকার এই যুদ্ধ কখনোই শুরু হওয়া উচিত ছিল না।

ট্রাম্প ও শি জিনপিংয়ের মধ্যকার আলোচনার বিষয়বস্তু নিয়ে উভয় পক্ষই বিবৃতি প্রকাশ করেছে, তবে সেগুলোর মধ্যে মিল ছিল খুবই সামান্য। বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউজের প্রকাশিত দুটি বিবরণীতে এমন কিছু বিষয়ের উল্লেখ ছিল, যা চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে স্থান পায়নি, আবার একইভাবে চীনা বিবৃতিতে থাকা অনেক বিষয় মার্কিন পক্ষ এড়িয়ে গেছে।

উভয় পক্ষের আলোচনার মূল বিষয়গুলো, কে কী বলেছেন এবং কোন কোন জায়গায় তাদের মধ্যে মিল রয়েছে, তা নিচে বিস্তারিত তুলে ধরা হলো:

Trump and Xi Jinping 1
বাণিজ্য চুক্তি প্রসঙ্গে

বেইজিংয়ে কাটানো দুই দিনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং চীনের মধ্যে বেশ কয়েকটি ব্যবসায়িক চুক্তি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ট্রাম্প। শীর্ষ সম্মেলন শেষে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, আমরা উভয় দেশের জন্য কিছু চমৎকার বাণিজ্য চুক্তি করেছি। সফরে ট্রাম্পের সাথে আসা মার্কিন ব্যবসায়ী নেতাদের সাথেও বৈঠক করেন শি জিনপিং।

বিশেষ করে, ট্রাম্প শুক্রবার ফক্স নিউজকে জানান, মার্কিন বিমান প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের কাছ থেকে ২০০টি জেট বিমান কিনতে রাজি হয়েছে চীন। তবে বাজার বিশ্লেষকদের ধারণা ছিল এই সংখ্যাটি হবে অন্তত ৫০০, যার ফলে প্রত্যাশার চেয়ে অর্ধেক বিমান কেনার খবরে শুক্রবার বোয়িংয়ের শেয়ারের দাম ৪ শতাংশের বেশি পড়ে যায়। যদি এই চুক্তিটি সত্যি বাস্তবায়িত হয়, তবে এটি হবে গত প্রায় এক দশকের মধ্যে চীনের প্রথম মার্কিন বিমান কেনার ঘটনা।

তবে চীন তাদের সম্মেলন-পরবর্তী বিবৃতিতে এই চুক্তি বা অন্য কোনো বাণিজ্য চুক্তির কথা উল্লেখ করেনি। এমনকি বোয়িং কর্তৃপক্ষও এখন পর্যন্ত এই চুক্তির সত্যতা নিশ্চিত করেনি।

অন্যান্য বাণিজ্য চুক্তির বিষয়েও কোনো পক্ষের কাছ থেকে নিশ্চিত কোনো ঘোষণা আসেনি। এমনকি মার্কিন চিপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এনভিডিয়া’র উন্নত এআই চিপ চীনের কাছে বিক্রির ব্যাপারে কোনো যুগান্তকারী চুক্তির আভাস মেলেনি, যদিও শেষ মুহূর্তে নাটকীয়ভাবে এই সফরে যোগ দিয়েছিলেন প্রতিষ্ঠানটির সিইও জেনসেন হুয়াং।

বৃহস্পতিবার শি জিনপিং বলেছিলেন যে, চীন মার্কিন ব্যবসার জন্য তাদের দুয়ার আরও উন্মুক্ত করবে, তবে বাণিজ্য চুক্তির ক্ষেত্রে এর আসল অর্থ কী, তা তিনি স্পষ্ট করেননি।

বৃহস্পতিবার চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিবৃতিতে শুধু এটুকুই বলা হয়, প্রেসিডেন্ট শি উল্লেখ করেছেন, চীন-মার্কিন অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য সম্পর্ক পারস্পরিকভাবে লাভজনক এবং এর প্রকৃতি উভয় পক্ষের জন্যই কল্যাণকর।

একই দিনে হোয়াইট হাউজের অফিসিয়াল এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডেলে প্রকাশিত একটি বিবৃতিতে বলা হয়, উভয় পক্ষই চীনে মার্কিন ব্যবসার বাজার উন্মুক্ত করা এবং আমেরিকার শিল্পখাতে চীনা বিনিয়োগ বৃদ্ধির বিষয়ে কথা বলেছে। এছাড়া, মার্কিন কৃষিপণ্য চীনের বেশি পরিমাণে কেনার বিষয়েও তারা আলোচনা করেছেন। তবে, চীনা বিবৃতিতে নির্দিষ্ট কোনো ব্যবসায়িক বা বাণিজ্য চুক্তির কোনো উল্লেখ পাওয়া যায়নি।

Trump and Xi Jinping 7
মাদক পাচার প্রসঙ্গে

গত বছরের জানুয়ারিতে প্রেসিডেন্ট হিসেবে দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই ট্রাম্প অভিযোগ করে আসছিলেন যে, আমেরিকায় ‘ফেন্টানিল’ নামক মাদকের ভয়াবহ সংকটের জন্য চীন দায়ী। তিনি আরও বলেছিলেন, গত বছর চীনা রপ্তানির ওপর ব্যাপক শুল্ক আরোপের অন্যতম কারণ ছিল এটি।

চলতি সপ্তাহের এই দুই দিনের শীর্ষ সম্মেলনের পর হোয়াইট হাউজ জানায়, আমেরিকায় ফেন্টানিল তৈরির কাঁচামাল আসা বন্ধ করার ক্ষেত্রে যে অগ্রগতি হয়েছে, তা আরও এগিয়ে নেয়ার প্রয়োজনীয়তার ওপর দুই প্রেসিডেন্ট জোর দিয়েছেন। অথচ, চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত বিবৃতিতে ফেন্টানিল বা যুক্তরাষ্ট্রে মাদক পাচারের কোনো উল্লেখই করা হয়নি।

Trump and Xi Jinping 8
ইরান যুদ্ধ প্রসঙ্গে

আমেরিকা ও চীন উভয় পক্ষই তাদের বিবৃতিতে ইরান যুদ্ধ নিয়ে আলোচনার কথা স্বীকার করলেও, সেখানে কী কথা হয়েছে তা নিয়ে তাদের বক্তব্যে ভিন্নতা রয়েছে।

বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউজ তাদের এক্স অ্যাকাউন্টের একটি বিবৃতিতে জানায়, উভয় দেশই একমত হয়েছে, ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে পারবে না।

কিন্তু শুক্রবার চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক্স হ্যান্ডেলের বিবৃতিতে স্পষ্ট করে বলা হয়নি যে, ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র পাবে না। বরং সেখানে বলা হয়েছে, এই সংঘাত, যা কখনোই হওয়া উচিত ছিল না, তা দীর্ঘায়িত করার কোনো কারণ নেই।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, পরিস্থিতি শান্ত করার গতি ধরে রাখা, রাজনৈতিক সমাধানের দিকে এগিয়ে যাওয়া, সংলাপ ও পরামর্শে অংশ নেওয়া এবং ইরানের পারমাণবিক ইস্যুসহ অন্যান্য বিষয়ে এমন একটি সমাধানে পৌঁছানো গুরুত্বপূর্ণ যা সব পক্ষের উদ্বেগকে নিরসন করে।

ইরান অবশ্য কখনোই আনুষ্ঠানিকভাবে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির ইচ্ছার কথা ঘোষণা করেনি। এর আগে ২০১৫ সালে বারাক ওবামার আমলে ইরানের সাথে হওয়া পারমাণবিক চুক্তি সুরক্ষিত করতে চীন আমেরিকা, ইউরোপীয় দেশগুলো এবং রাশিয়ার সাথে কাজ করেছিল। ধারণা করা হয়, ইরানের কাছে বর্তমানে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত সমৃদ্ধ প্রায় ৪৪০ কেজি (৯৭০ পাউন্ড) ইউরেনিয়াম রয়েছে। তবে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির জন্য ৯০ শতাংশ পর্যন্ত সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম প্রয়োজন।

হোয়াইট হাউজ তাদের বিবৃতিতে আরও জানায়, জ্বালানির অবাধ সরবরাহ সচল রাখতে হরমুজ প্রণালী অবশ্যই উন্মুক্ত রাখতে হবে, এই বিষয়ে দুই পক্ষ একমত হয়েছে।

Trump and Xi Jinping 4
গত মার্চের শুরু থেকে ইরান এই প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে আসছে। উপসাগরীয় তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোকে উন্মুক্ত সাগরের সাথে যুক্ত করার এই সংকীর্ণ জলপথটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যার মধ্য দিয়ে যুদ্ধের আগে বিশ্বের ২০ শতাংশ তেল এবং তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহ করা হতো। ইরান বর্তমানে নির্দিষ্ট কিছু দেশের জাহাজ চলাচলের অনুমতি দিলেও, তাদের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের সাথে আলোচনা করে পারাপার হতে হয়।

যুদ্ধ অবসানের জন্য ইরান এর আগে একটি প্রস্তাব দিয়েছিল, যেখানে বলা হয়েছিল এই প্রণালী পার হতে যাওয়া জাহাজগুলোর কাছ থেকে ফি বা টোল নেওয়া হবে। ওয়াশিংটন শুরু থেকেই এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে আসছে। গত এপ্রিলে আমেরিকা ইরানের বন্দরে জাহাজ প্রবেশ এবং বের হওয়ার ওপর নৌ-অবরোধ ঘোষণা করে, যা বিশ্বব্যাপী তেল ও গ্যাস সরবরাহে আরও বড় বিঘ্ন ঘটায়।

ট্রাম্প-শি সম্মেলনের পর হোয়াইট হাউজের বিবৃতিতে বলা হয়: প্রেসিডেন্ট শি এই প্রণালীর সামরিকীকরণ এবং এর ব্যবহারের জন্য যেকোনো ধরনের টোল আদায়ের প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে চীনের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন। পাশাপাশি, ভবিষ্যতে হরমুজ প্রণালীর ওপর চীনের নির্ভরতা কমাতে আরও বেশি মার্কিন তেল কেনার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন তিনি।

কিন্তু চীনের বিবৃতিতে ইরানের টোল আদায়, প্রণালীর সামরিকীকরণ বা মার্কিন তেল কেনার বিষয়ে বেইজিংয়ের আগ্রহের কোনো কথাই উল্লেখ নেই।

তবে চীনা বিবৃতিতে এটি স্বীকার করা হয়েছে যে, এই সংঘাত বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, সরবরাহ শৃঙ্খল , আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ব্যবস্থা এবং বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের স্থিতিশীলতার ওপর প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি করেছে, যা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সাধারণ স্বার্থকে আঘাত করছে।

চীনা নেতাদের কার্যালয় ও সাবেক রাজকীয় উদ্যান ঝংনানহাই কমপ্লেক্সে ট্রাম্প ও শি তাদের চূড়ান্ত বৈঠকে মিলিত হন। এই বৈঠকের পর ট্রাম্প দাবি করেন, ইরান ইস্যুতে তিনি এবং শি খুবই কাছাকাছি মনোভাব পোষণ করেন, তবে শি জিনপিং ট্রাম্পের এই দাবি সরাসরি নিশ্চিত করেননি।

Trump and Xi Jinping 5
মার্কিন-চীন সম্পর্ক প্রসঙ্গে

চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আগামী তিন বছর এবং তার পরবর্তী সময়ের জন্য চীন-মার্কিন সম্পর্কের কৌশলগত দিকনির্দেশনা দিতে দুই প্রেসিডেন্ট কৌশলগত স্থিতিশীলতার একটি গঠনমূলক সম্পর্ক গড়ে তোলার নতুন রূপকল্পে একমত হয়েছেন। তবে হোয়াইট হাউজের বিবৃতিতে এই তিন বছরের সময়সীমার কোনো উল্লেখ নেই। তাদের মনোযোগ ছিল কৌশলগত স্থিতিশীলতার চেয়ে মূলত দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নেওয়ার দিকে।

তাইওয়ান ইস্যু

চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট শি জোর দিয়ে বলেছেন, চীন-মার্কিন সম্পর্কের ক্ষেত্রে তাইওয়ান ইস্যুটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, যদি এটি সঠিকভাবে সমাধান করা যায়, তবে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে সামগ্রিক স্থিতিশীলতা আসবে। অন্যথায়, দুই দেশের মধ্যে সংঘাত এবং এমনকি যুদ্ধও বেঁধে যেতে পারে, যা পুরো সম্পর্ককে চরম ঝুঁকির মধ্যে ফেলবে।

তবে শীর্ষ সম্মেলন-পরবর্তী হোয়াইট হাউজের বিবৃতিতে তাইওয়ানের কোনো উল্লেখই ছিল না। এমনকি বেইজিংয়ে অবস্থানকালে সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে তাইওয়ান নিয়ে ট্রাম্পের অবস্থান জানতে চাওয়া হলে তিনি তা সম্পূর্ণ এড়িয়ে যান।

Trump and Xi Jinping 6
চীন তাইওয়ানকে তাদের নিজস্ব ভূখণ্ডের অংশ বলে দাবি করলেও, ২৩ মিলিয়ন (২ কোটি ৩০ লাখ) মানুষের স্বশাসিত এই দ্বীপটির সরকার নিজেদের একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবেই গণ্য করে। মার্কিন সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে এটি স্বীকার করে যে, চীন তাইওয়ানকে নিজের অংশ মনে করে, তবে আমেরিকা নিজেরা এই অবস্থানের সাথে একমত কি না, তা কখনো স্পষ্ট করে বলে না।

আমেরিকা কয়েক দশক আগে তাইওয়ানের (যা রিপাবলিক অব চায়না নামেও পরিচিত) সাথে আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করলেও, ১৯৭৯ সালের ‘তাইওয়ান রিলেশনস অ্যাক্ট’ অনুযায়ী স্বশাসিত এই গণতান্ত্রিক অঞ্চলের আত্মরক্ষায় সহায়তা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

এই আইনের ফলেই ওয়াশিংটন তাইওয়ানকে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র সরবরাহ করতে পারছে এবং সামরিক প্রশিক্ষণ ও গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদানের মতো বিষয়ে সহযোগিতা বাড়াতে পারছে; যাকে বেইজিং তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে সরাসরি হস্তক্ষেপ বলে মনে করে।

শুক্রবার চীনের বিবৃতির জবাবে তাইওয়ানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, আমেরিকার অস্ত্র বিক্রি হলো তাইওয়ান রিলেশনস অ্যাক্টে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা একটি নিরাপত্তা প্রতিশ্রুতি, যা আঞ্চলিক হুমকির বিরুদ্ধে যৌথ প্রতিরোধের একটি অন্যতম মাধ্যম।

Trump and Xi Jinping 2
মিল রয়েছে কোন কোন জায়গায়?

উভয় পক্ষের বিবৃতি থেকেই জানা গেছে, ট্রাম্প এবং শি জিনপিং যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যকার সম্পর্ক জোরদার করার পাশাপাশি দুই দেশ ও বিশ্বের প্রধান প্রধান সমস্যা নিয়ে আলোচনা করেছেন।

ওয়াশিংটন তাদের বিবৃতিতে বলেছে, বেশ কয়েকটি বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র এবং চীন একই অবস্থানে রয়েছে। অন্যদিকে চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও এর প্রতিধ্বনি করে বলেছে, ট্রাম্প ও শি বেশ কিছু নতুন সাধারণ বোঝাপড়ায় পৌঁছেছেন।

এছাড়া দুই পক্ষই নিশ্চিত করেছে, ট্রাম্প ও শি ইরান যুদ্ধ নিয়ে কথা বলেছেন এবং হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে যাওয়ার ব্যাপারে তাদের উদ্বেগের বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে।

সাম্প্রতিক সংবাদ

ইসরায়েল-লেবানন যুদ্ধবিরতি আরও ৪৫ দিন বাড়ল

Newsdesk

চীনা কোম্পানির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেবেন ট্রাম্প!

Newsdesk

পোল্যান্ডে সেনা মোতায়েনের পরিকল্পনা বাতিল করল যুক্তরাষ্ট্র

Newsdesk